
WBCS Mains Paper I Bengali Letter
2023
- (ক) পরমাণু যুদ্ধের আশঙ্কায় সমস্ত পৃথিবী আজ আতঙ্কিত।
- (খ) মহামারী প্রমাণ করে দিয়েছে যে পৃথিবী থেকে মানবতাবোধ এখনও মুছে যায়নি।
- (গ) সমগ্র ভারতে বেকারত্বের ভয়াবহতা শিক্ষিত যুব সমাজের মধ্যে নিদারুণ হতাশা ও প্রথাগত শিক্ষার প্রতি অনীহা এনে দিয়েছে।
2022
- (ক) প্লাস্টিক বর্জনের প্রয়োজনীয়তা।
- (খ) জনজীবনে ফেসবুকের প্রভাব।
2021
- (ক) বিশ্ব জলদিবস : জলসমস্যা ও সমাধান।
- (খ) পর্যটন শিল্পে অতিমারির প্রভাব।
- (গ) সাম্প্রতিক বিজ্ঞাপনের ভাষা।
2020
- (ক) অতিমারি ও কুসংস্কার।
- (খ) ধর্ম এবং ধর্মান্ধতা।
- (গ) শিক্ষায় মাতৃভাষার গুরুত্ব।
2019
- (ক) যুবসমাজে মোবাইল ফোনের অতিরিক্ত ব্যবহার ও তার কুফল।
- (খ) বর্তমানে বাংলায় নারীর অগ্রগতি।
- (গ) প্রবীণ নাগরিকদের নিঃসঙ্গতা ও অসহায়তা দূর করার জন্য সামাজিক উদ্যোগের প্রয়োজনীয়তা।
2018
- (ক) বিজ্ঞানমনস্কতা ও কুসংস্কার।
- (খ) পরিবেশ দূষণ ও তার প্রতিকার।
- (গ) নারী নির্যাতন : ঘরে ও বাইরে।
2017
- (ক) জীবনে সাহিত্যপাঠের ভূমিকা।
- (খ) জনজীবনে গণমাধ্যমের প্রভাবের দুইদিক।
- (গ) শিক্ষার মাধ্যম হিসেবে মাতৃভাষার গুরুত্ব।
2016
- (ক) ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে খরা : সরকারের ভূমিকা।
- (খ) ভারতের উন্নয়নের ক্ষেত্রে সব থেকে বড় বাধা দুর্নীতি।
- (গ) ছাত্র আন্দোলন ও বৃহত্তর জনজীবনে তার প্রভাব।
2015
- (ক) নির্মল প্রযুক্তি (গ্রীন টেকনোলজি) ও ভারত।
- (খ) পরিবেশ পর্যটনে পশ্চিমবঙ্গের ভূমিকা।
- (গ) নারী নিগ্রহ ও নির্বিকার সমাজ।
2014
- (ক) কলকাতার উন্নতি করানো সম্ভব হবে নাগরিক চেতনার স্বতঃস্ফূর্ত জাগরণ ঘটলে।
- (খ) আমাদের জাতীয় সংহতি ও ঐক্যের মূলে প্রধান বাধা সাম্প্রদায়িক ভেদাভেদ।
- (গ) নির্বাচন কমিশন ও ভারতের জনমানসে তার প্রভাব।
- (ঘ) ভারতের বৈদেশিক বাণিজ্য নীতি।
WBCS Mains Paper I Bengali Editorial Report
2023
‘উগ্রপ্রাদেশিকতা ভারতের সামগ্রিক উন্নতির অন্যতম প্রধান অন্তরায়’ — বিষয় অবলম্বন করে একটি প্রতিবেদন রচনা করুন।
2022
‘মেয়েদের স্বনির্ভর হওয়ার আগেই বিবাহ দেওয়া অনুচিত’ — বিষয় অবলম্বন করে একটি সম্পাদকীয় প্রতিবেদন রচনা করুন।
2021
‘যুদ্ধে কেবল প্রাণহানিই ঘটে না, পরিবেশও বিপন্ন হয়।’ — বিষয় সম্পর্কে একটি সম্পাদকীয় প্রতিবেদন লিখুন।
2020
‘অনলাইন শিক্ষা আমাদের কতদূর এগিয়ে দেবে?’ — বিষয় সম্পর্কে একটি সম্পাদকীয় প্রতিবেদন লিখুন।
2019
‘বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্যই ভারতীয় সংস্কৃতির প্রাণ’ — বিষয় সম্পর্কে একটি সম্পাদকীয় প্রতিবেদন লিখুন।
2018
‘বাক্ স্বাধীনতার অধিকার সর্বাপেক্ষা জরুরি’ — বিষয় সম্পর্কে একটি সম্পাদকীয় প্রতিবেদন লিখুন।
2017
‘যন্ত্রণামুক্তির শ্রেষ্ঠ উপায় স্বেচ্ছামৃত্যু’ — বিষয় সম্পর্কে একটি সম্পাদকীয় প্রতিবেদন লিখুন।
2016
সুষ্ঠু-নগর পরিকল্পনার ক্ষেত্রে বেআইনি নির্মাণ অন্যতম প্রধান প্রতিবন্ধক — এর স্বপক্ষে সম্পাদকীয় প্রতিবেদন লিখুন।
2015
সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং আজকের যুবসমাজকে অপরাধপ্রবণ করে তুলছে — এর স্বপক্ষে সম্পাদকীয় প্রতিবেদন লিখুন।
2014
- রাজ্য সরকার যে বাসস্ট্যান্ডগুলি নির্মাণ করেছে ও রবীন্দ্রনাথের গানের কথা, মনীষীদের বাণী তাতে উৎকীর্ণ করেছে তার স্বপক্ষে সম্পাদকীয় প্রতিবেদন লিখুন।
(অথবা) - শিশু শ্রমরোধে নয়া নিষেধাজ্ঞার স্বপক্ষে সম্পাদকীয় প্রতিবেদন লিখুন।
WBCS Mains Paper I Bengali Precies
2023
নিম্নলিখিত অংশটির সারসংক্ষেপ করুন ও একটি উপযুক্ত শিরোনাম দিন : (পূর্ণমান: ৪০)
অনুবীক্ষণ নামে এক রকম যন্ত্র আছে; তাহাতে ছোট জিনিষকে বড় করিয়া দেখায়; বড় জিনিষকে ছোট দেখাইবার নিমিত্ত উপায় পদার্থ বিদ্যাশাস্ত্রে নির্দিষ্ট থাকিলেও, ঐ উদ্দেশ্যে নির্মিত কোন যন্ত্র আমাদের মধ্যে সর্বদা ব্যবহৃত হয় না। কিন্তু বিদ্যাসাগরের জীবন চরিত বড় জিনিষকে ছোট দেখাইবার জন্য নির্মিত যন্ত্রস্বরূপ। আমাদের দেশের মধ্যে যাহারা খুব বড় বলিয়া আমাদের নিকট পরিচিত, ঐ গ্রন্থখানি সম্মুখে ধরিরা মাত্র তাঁহারা সহসা অতি ক্ষুদ্র হইয়া পড়েন; এবং এই যে বাঙালীত্ব লইয়া আমরা অহোরাত্র আন্দোলন করিয়া থাকি, তাহাও অতি ক্ষুদ্র ও শীর্ণ কলেবর ধারণ করে। দুই চতুস্পার্শ্ব ক্ষুদ্রতার মধ্যস্থলে বিদ্যাসাগরের মূর্তি ধবল-পর্বতের ন্যায় শীর্ষ তুলিয়া দণ্ডায়মান থাকে; কাহারো সাধ্য নাই যে সেই উচ্চ চূড়া অতিক্রম করে বা স্পর্শ করে।
2022
নিম্নলিখিত অংশের সারমর্ম লিখুন : (পূর্ণমান: ৪০)
কুরুক্ষেত্রে মহাযুদ্ধের পর ভারতবর্ষ যেন এক মহাশ্মশানে পরিণত হইয়াছে। গৃহ গৃহে ক্রন্দনের রোল। কাহারো পুত্র, কাহারো পিতা, কাহারো বা পতি চিরতরে ইহলোক হইতে বিদায় গ্রহণ করিয়াছে— যাইবার সময় একটি বিদায়ের বাণী, একটু সান্ত্বনার কথাও বলিবার অবসর পায় নাই। যে-সকল প্রাসাদ আনন্দ-কোলাহলে মুখরিত ছিল, আজ সেখানে কে যেন বিষাদের কালিমা লেপিয়া দিয়াছে।
2021
নিম্নলিখিত অংশের সারমর্ম (Précis) লিখুন : (পূর্ণমান: ৪০)
সহজভাবে আপনার জীবনে প্রাত্যহিক কাজ করে যাওয়ার চেয়ে সুন্দর এবং মহৎ আর কিছু হতে পারে না। মাঠের তৃণ থেকে আকাশের তারা পর্যন্ত তাই করছে; কেউ গায়ের জোরে আপনার সীমাকে অতিক্রম করার চেষ্টা করছে না বলেই প্রকৃতির মধ্যে এমন গভীর শান্তি এবং অপার সৌন্দর্য বিরাজ করছে। অথচ প্রত্যেককে যেটুকু করছে সেটুকু সামান্য নয়—ঘাস আপনার চূড়ান্ত শক্তি প্রয়োগ করে তবে ঘাসরূপে টিকে থাকতে পারে, শিকড়ের শেষ প্রান্তটুকু পর্যন্ত দিয়ে তাকে রসাকর্ষণ করতে হয়। সে যে নিজের শক্তি লঙ্ঘন করে বটগাছ হবার নিষ্ফল চেষ্টা করছে না, এইজন্যই পৃথিবী এমন সুন্দর শ্যামল হয়ে রয়েছে। বাস্তবিক, বড়ো বড়ো উদ্যোগ এবং লম্বা-চওড়া কথার দ্বারা নয়, কিন্তু প্রাত্যহিক ছোটো ছোটো কর্তব্য-সমাধা দ্বারাই মানুষের সমাজে যথাসম্ভব শোভা এবং শান্তি আছে। বসে বসে হাঁসফাঁস করা, কল্পনা করা, কোনো অবস্থাকেই আপনার যোগ্য মনে না করা, ইতিমধ্যে সুমুখ দিয়ে সময়কে চলে যেতে দেওয়া—এর চেয়ে হেয় কিছু হতে পারে না। যখন মনে মনে প্রতিজ্ঞা করা যায়, নিজের সাধ্যমতো সমস্ত কর্তব্য সত্যের সঙ্গে, বলের সঙ্গে, হৃদয়ের সঙ্গে, সুখ দুঃখের ভিতর দিয়ে পালন করে যাব এবং যখন বিশ্বাস হয় তা করতে পারব, তখন সমস্ত জীবন আনন্দে পরিপূর্ণ হয়ে ওঠে, ছোটখাটো দুঃখবেদনা একেবারে দূর হয়ে যায়।
2020
নিম্নলিখিত অংশের সারমর্ম লিখুন : (পূর্ণমান: ৪০)
যাহারা বাক্যে অজেয়, পরভাষায় পারদর্শী, মাতৃভাষা বিরোধী, তাঁহারাই বাবু। যাঁহাদিগের চরণ মাংসাস্থিহীন শুষ্ক কাঠ্যের ন্যায় হইলেও পলায়নে সক্ষম; হস্ত দুর্বল হইলেও লেখনী ধারণে এবং বেতন গ্রহণে সুপটু, চর্ম কোমল হইলেও সাগরপার নির্মিত দ্রব্যাবিশেষের প্রহার সহিষ্ণু, তাঁহারাই বাবু। যাঁহারা বিনা উদ্দেশ্যে সঞ্চয় করিবেন, সঞ্চয়ের জন্য উপার্জন করিবেন, উপার্জনের জন্য বিদ্যাধ্যয়ন করিবেন, বিদ্যাধ্যয়নের জন্য শ্রম চুরি করিবেন, তাঁহারাই বাবু।
2019
নিম্নলিখিত অংশের সারমর্ম লিখুন : (পূর্ণমান: ৪০)
প্রথম যুগে একদিন পৃথিবী আপন তপ্ত নিঃশ্বাসের কুয়াশায় অবগুণ্ঠিত ছিল, তখন বিরাট আকাশের গ্রহমণ্ডলীর মধ্যে আপন স্থান সে উপলব্ধি করতেই পারেনি। অবশেষে একদিন তার মধ্যে সূর্যকিরণ প্রবেশের পথ পেল। তখনই সেই মুক্তিতে আরম্ভ হল পৃথিবীর গৌরবের যুগ। তেমনি একদিন আর্দ্র হৃদয়ালুতার ঘন বাষ্পাবরণ আমাদের মেয়েদের চিত্তকে অত্যন্ত কাছের সংসারে আবিষ্ট করে রেখেছিল। আজ তা ভেদ করে সেই আলোক রশ্মি প্রবেশ করছে যা মুক্ত আকাশের, যা সর্বলোকের। বহু দিনের যে-সব সংস্কারজড়জালে তাদের চিত্ত আবদ্ধ বিজড়িত ছিল যদিও আজ তা সম্পূর্ণ কেটে যায়নি, তবু তার মধ্যে অনেকখানি भेद ঘটেছে। কতখানি যে, তা আমাদের মতো প্রাচীন বয়স যাদের তারাই জানে।
আজ পৃথিবীর সর্বত্রই মেয়েরা ঘরের চৌকাঠ পেরিয়ে বিশ্বের উন্মুক্ত প্রাঙ্গণে এসে দাঁড়িয়েছে।
2018
নিম্নলিখিত অংশের সারমর্ম লিখুন : (পূর্ণমান: ৪০)
পৃথিবীতে যাহার দিকে তাকাও দেখিবে— সে নিজের অবস্থায় অসন্তুষ্ট। দরিয়া কিসে ধনী হইবে সেই চিন্তায় উদ্বিগ্ন; ধনী চোর-ডাকাতের ভয়ে ত্রস্ত, রাজা শত্রুর ভয়ে ভীত। একথায় পৃথিবীতে এমন কেহ নাই যে পূর্ণ সুখে সুখী। অথচ কৌতুকের বিষয় এই— পৃথিবী ছাড়িয়া যাইতেও কেহ প্রস্তুত নহে। মৃত্যুর নাম শুনিলেই দেখি মানুষের মন শুকাইয়া যায়। মানুষ যতই দরিদ্র হউক, সপ্তাহের পর সপ্তাহ, যদি অনাহারে কাটাতে হয়, পৃথিবী কোনো আরামই যদি তাহাকে না প্রদে তাও সে মৃত্যুকে চাহে না। সে যদি কঠিন পীড়ায় পীড়িত হয়, যদি শয্যা হইতে উঠিবার শক্তিও না থাকে, তথাপি সে মৃত্যুর প্রার্থী হইবে না। কে না জানে যে শত বৎসরের পরমায়ু থাকলেও একদিন না একদিন মরিতে হইবে।
2017
নিম্নলিখিত অংশের সারমর্ম লিখুন : (পূর্ণমান: ৪০)
মনুষ্য মাত্রেই পতঙ্গ। সকলেই এই একটি বহ্নি আছে— সকলেই সেই বহ্নিতে পুড়িয়া মরিতে চাহে, সকলেই মনে করে সেই বহ্নিতে পুড়িয়া মরিতে তাহার অধিকার আছে— কেহ মরে, কেহ কাঁচি বাঁধিয়া ফিরিয়া আসে। জ্ঞান-বহ্নি, ধন-বহ্নি, মান-বহ্নি, রূপ-বহ্নি, ধর্ম-বহ্নি, ইন্দ্রিয়-বহ্নি, —সংসার বহ্নিময়। আবার সংসার কাঁচময়। যে আলো দেখিয়া মোহিত হই — মোহিত হইয়া তাহাতে ঝাঁপ দিতে যাই — কই, তাহাত’ পাই না। — আবার ফিরিয়া বোঁ করিয়া চলিয়া যাই। কাঁচ না থাকলে সংসার এতদিন পুড়িয়া যাইত। অনেকে জ্ঞানবহ্নির আবরণ-কাঁচে ঠেকিয়া রক্ষা পায়, সক্রেটিস, গেলিলিও তাহাতে পুড়িয়া মরিল। এই বহ্নির দাহ যাহাতে বর্ণিত হয়, তাহাকে কাব্য বলি। মহাভারতকার মান-বহ্নি সৃজন করিয়া দুর্যোধন পতঙ্গকে পোড়াইলেন, জগতে অতুল কাব্যগ্রন্থের সৃষ্টি হইল। জ্ঞানবহ্নিজাত দাহের গীত Paradise Lost। ধর্মবহ্নির অদ্বিতীয় কবি সেন্ট পল। ভোগবহ্নির পতঙ্গ অ্যান্টনি ক্লিয়োপেট্রা। রূপবহ্নির রোমিও ও জুলিয়েট। ঈর্ষাবহ্নির ‘ওথেলো’। গীতগোবিন্দ ও বিদ্যাসুন্দরে ইন্দ্রিয়বহ্নি জ্বলিতেছে। স্নেহবহ্নিতে সীতা পতঙ্গের দাহ জন্য রামায়ণের সৃষ্টি।
2016
নিম্নলিখিত অংশের সারমর্ম লিখুন : (পূর্ণমান: ৪০)
যতটুকু অত্যাবশ্যক কেবল তাহাই মধ্যে কারারুদ্ধ হইয়া থাকা মানবজীবনের ধর্ম নহে। আমরা কিঞ্চিৎ পরিমাণে আবশ্যক শৃঙ্খলে বদ্ধ হইয়া থাকি এবং কিঞ্চিৎ পরিমাণে স্বাধীন। আমাদের দেহ সাড়ে তিন হাতের মধ্যে বদ্ধ কিন্তু তাই বলিয়া ঠিক সেই সাড়ে তিন হাত পরিমাণের গৃহ নির্মাণ করিলে চলে না। স্বাধীন চলাফেরার জন্য অনেকখানি স্থান রাখা আবশ্যক। নতুবা আমাদের স্বাস্থ্য এবং আনন্দের ব্যাহত হয়। শিক্ষা সম্বন্ধেও এই কথা খাটে, অর্থাৎ যতটুকু কেবলমাত্র শিক্ষা অত্যাবশ্যক তাহারি মধ্যে শিশুদিগকে একান্ত নিবন্ধ রাখিলে কখনোই তাহাদের মন যথেষ্ট পরিমাণে বাড়িতে পারে না। অত্যাবশ্যক শিক্ষার সহিত স্বাধীন পাঠ না শিখাইলে ছেলে ভালো করিয়া মানুষ হইতে পারে না-বয়ঃপ্রাপ্ত হইলেও বুদ্ধিবৃত্তি সম্বন্ধে সে অনেকটা পরিমাণে বালক থাকিয়াই যায়।
2015
নিম্নলিখিত অংশের সারমর্ম লিখুন। (পূর্ণমান: ৪০)
অনেকদিন থেকেই লিখে আসছি, জীবনের নানা পর্বের নানা অবস্থায় শুরু করেছি কাঁচা বয়সে–তখনও নিজেকে বুঝিনি। তাই আমার লেখার মধ্যে বাহুল্য এবং বর্জনীয় জিনিস ভুরি ভুরি আছে তাতে সন্দেহ নেই। এ সমস্ত আবর্জনা বাদ দিয়ে বাকী যা থাকে আশা করি তার মধ্যে এই ঘোষণাটি স্পষ্ট যে,—আমি ভালবেসেছি এই জগৎকে, আমি প্রণাম করেছি মহৎকে, আমি কামনা করেছি মুক্তিকে, যে মুক্তি পরম পুরুষের কাছে আত্মনিবেদনে, আমি বিশ্বাস করেছি মানুষের সত্য মহামানবের মধ্যে যিনি সদা জননাং হৃদয়ে সন্নিবিষ্ট। আমি আবাল্য অভ্যস্ত একান্তিক সাহিত্যসাধনার গণ্ডীকে অতিক্রম করে একদা সেই মহামানবের উদ্দেশে যথাসাধ্য আমার কর্মের অর্ঘ্য, আমার ত্যাগের নৈবেদ্য আহরণ করেছি;–তাতে বাইরের থেকে যদি বাধা পেয়ে থাকি অন্তরের থেকে পেয়েছি প্রসাদ। আমি এসেছি এই ধরণীর মহাতীর্থে—এখানে সর্বদেশ সর্বজাতি ও সর্বকালের ইতিহাসের মহাকেন্দ্রে আছেন নরদেবতা—তাঁরই বেদীমূলে নিভৃতে বসে আমার অসংস্থার আমার বেদনবুদ্ধি ক্ষালন করবার দুঃসাধ্য চেষ্টায় আজও প্রবুদ্ধ আছি।
আমার যা কিছু অকিঞ্চিৎকর তাকে অতিক্রম করেও যদি আমার চরিত্রের অন্তরতম প্রকৃতি ও সাধনা লেখায় প্রকাশ পেয়ে থাকে, আনন্দ হয়ে থাকে, তবে তার পরিবর্তে আমি প্রীতি কামনা করি, আর কিছু নয়। এ কথা যেন জেনে যাই, অকৃত্রিম সৌহার্দ্য পেয়েছি, সেই তাঁদের কাছে যাঁরা আমার সমস্ত ত্রুটি সত্ত্বেও জেনেছেন সমস্ত জীবন আমি কি চেয়েছি, কি পেয়েছি, কি দিয়েছি, আমার অপূর্ণ জীবন অনবাপ্ত সাধনার কি ইঙ্গিত আছে।
মর্ত্যলোকের শ্রেষ্ঠদান এই প্রীতি আমি পেয়েছি এ কথা প্রণামের সঙ্গে বলি। পেয়েছি পৃথিবীর অনেক বরণীয়দের হাত থেকে –তাঁদের কাছে কৃতজ্ঞতা নয়, আমার হৃদয় নিবেদন করে দিয়ে গেলাম। তাঁদের দক্ষিণ হাতের স্পর্শে বিরাট মানবেরই স্পর্শ লেগেছে আমার ললাটে, আমার যা কিছু শ্রেষ্ঠ তা তাঁদের গ্রহণের যোগ্য হোক।
2014
নিম্নলিখিত অংশের সারমর্ম লিখুন। (পূর্ণমান: ৪০)
(ক)
জগৎ ও জীবনের রহস্য পরমতম সত্য। আধ্যাত্মিক উন্নয়ন ও বিশ্বসৃষ্টির মূলীভূত শক্তির সন্ধানে মানুষ ঈশ্বরের শরণাপন্ন নয়। সৃষ্টির আদিম ক্ষণ থেকে মানুষ এক অতিলৌকিক শক্তিকে ঈশ্বরের মর্যাদায় উন্নীত করেছে। এই শক্তিকে বিশ্বনিয়ন্তা ও অবিনাশী শক্তি বলা হয়েছে। মানুষ মনে করে যে তিনিই বিশ্বস্রষ্টা। তিনি স্বয়ম্ভূ, তিনি বাক্য, মন ও চক্ষুর অগোচর। মানুষ তাই ঈশ্বরকে খুঁজে বেড়ায় দেবালয়ে অর্থাৎ মন্দির, মসজিদ, গির্জা প্রভৃতি স্থানে। মানুষ ভাবে যে ঐ সমস্ত স্থানেই ঈশ্বরের বসবাস।
কিন্তু বাস্তববুদ্ধি দিয়ে বিচার করলে দেখা যায় যে, জীবের মধ্যেই ঈশ্বরের বাস। ঈশ্বরকে পেতে মন্দির, মসজিদে যাবার প্রয়োজন নেই, জীবকে আন্তরিকতার সঙ্গে সেবা করলেই প্রকৃতভাবে ঈশ্বরের সেবা করা হয়। তথাপি কিছু মানুষ আছে যারা আনুষ্ঠানিক ধর্ম আচরণ, পূজা মন্ত্র, আরাধনা ইত্যাদির মাধ্যমে ঈশ্বর লাভে তৎপর হয়। কিন্তু জীবকে অবজ্ঞা করে, মানুষের নারায়ণে উপেক্ষা করে কখনোই ঈশ্বরের অনুসন্ধান সার্থক হতে পারে না। যুগে যুগে বহু মনীষী জীবসেবাকেই ঈশ্বর প্রাপ্তির চরম উপায় বলে নির্দেশ করে গিয়েছেন। আর্তের সেবা, অসহায়ের উদ্ধার, পীড়িতের শুশ্রূষা, সর্বোপরি জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে জীবের প্রতি প্রীতি প্রদর্শন করাই ঈশ্বর লাভের শ্রেষ্ঠ উপায়। জীবের মধ্য দিয়েই ঈশ্বরের প্রকাশ। অতএব জীবসেবাতেই ঈশ্বর পরিস্ফুট হয়। প্রতিটি মানুষের উচিত অপরকে ভালোবাসা, অপরের সেবা করা। সেবাই হল ঈশ্বর সাধনার প্রধান পথ। যেদিন মানুষ জীবসেবাকে ঈশ্বর সেবার প্রধান পথ হিসাবে বেছে নেবে সেদিন মানুষ প্রকৃত ঈশ্বরের সন্ধান পাবে।
(খ)
বস্তুতঃ মানুষের মধ্যে এই যে, দুই স্তরের ইচ্ছা আছে, ইহার মধ্যে একটা প্রয়োজনের ইচ্ছা, আর একটি অপ্রয়োজনের ইচ্ছা। একটা যাহা না হইলে কিছুতেই চলে না তাহার ইচ্ছা, এবং অন্যটা যাহা না হইলে অনায়াসেই চলে তাহার ইচ্ছা। আশ্চর্য এই যে, মানুষের মনে এই দ্বিতীয় ইচ্ছাটিই এত প্রবল যে সে যখন জাগিয়া ওঠে তখন সে এই প্রথম ইচ্ছাটাকে একেবারে ছারখার করিয়া দেয়। তখন সে সুখ সুবিধা প্রয়োজনের কোন দাবিকেই একেবারে কর্ণপাত করে না। তখন সে বলে, আমি সুখ চাহি না, আমি আরো কিছুকে চাহি, সুখ আমার সুখ নহে, আনন্দই আমার সুখ, তখন সে বলে ভূমৈব সুখম্।
সুখ বলিতে যাহা বোঝায় তাহার ভূমা নাই। ভূমা সুখ নহে আনন্দ। সুখের সঙ্গে আনন্দের প্রভেদ এই যে আনন্দের বিপরীতে দুঃখ নহে, সুখের বিপরীতে দুঃখ। শিব যেমন করিয়া হালাহল পান করিয়াছিলেন, আনন্দ তেমন করিয়া দুঃখকে অনায়াসেই গ্রহণ করে। এমনকি দুঃখের দ্বারাই আনন্দ আপনাকে সার্থক করে, আপনার পূর্ণতাকে উপলব্ধি করে। তাই দুঃখের তপস্যাই আনন্দের তপস্যা।
WBCS Mains Paper I Bengali Unseen
2023
গদ্যাংশটি অবলম্বন করে উল্লিখিত প্রশ্নগুলির উত্তর দিন : (পূর্ণমান: ৪০)
শহরের ধনী মহাজনের কারখানার মজুরি করিতে গেলে শ্রমজীদিগের মনুষ্যত্ব নিরাপদ নয় সকলেই জানেন। বিশেষত আমাদের যে দেশের সমাজ গৃহের উপর প্রতিষ্ঠিত সেখানে গৃহনীতি বিচলিত হইলে ধর্মের প্রধান অবলম্বন জীর্ণ হইয়া পড়ে ও সমাজের মর্দস্থানে বিষ সঞ্চার হইতে থাকে সে দেশে বড়ো বড়ো কারখানা যদি শহরের মধ্যে আবর্ত রচনা করিয়া চারিদিকের গ্রামমণ্ডলী হইতে দরিদ্র গৃহস্থ দিগকে আকর্ষণ করিয়া আনে তবে স্বাভাবিক অবস্থা হইতে বিচ্যুত, বাসস্থান হইতে বিচ্ছিন্ন স্ত্রী-পুরুষগণ নিরানন্দকর কাজের ক্রমশই কিরূপ দুর্নীতির মধ্যে নিমজ্জিত হইতে পারে তাহা অনুমান করা কঠিন নহে। কলের দ্বারা কেবল জিনিসপত্রের উপচয় করিতে গিয়া মানুষের অপচয় করিয়া বসিলে সমাজের অধিক দিন তাহা সহিবে না। অতএব পল্লিবাসীরাই একত্রে মিলিয়া যে-সকল যন্ত্রের ব্যবহার সম্ভবপর হয় তাহারি সাহায্যে স্বস্থানেই কর্মের উন্নতি করিতে পারিলে সকল দিক রক্ষা হইতে পারে। শুধু তাই নয়, দেশের জনসাধারণকে ঐকনীতিতে দীক্ষিত করিবার এই একটি উপায়। প্রাদেশিকের সভা উপদেশ ও দৃষ্টান্ত দ্বারা একটি মণ্ডলীকেও যদি ঐরূপ গড়িয়া তুলিতে পারেন তবে এই দৃষ্টান্তের সফলতা দেখিতে দেখিতে চারিদিকে ব্যাপ্ত হইয়া পড়িবে।
এমনি করিয়া ভারতবর্ষের প্রদেশগুলি আত্মনির্ভরশীল ও ব্যূহবদ্ধ হইয়া উঠিলে ভারতবর্ষের দেশগুলির মধ্যে তাহার কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠা সার্থক হইয়া উঠিবে এবং সেই দৈশিক কেন্দ্রগুলি একটি মহাদেশিক কেন্দ্রচূড়ায় পরিণত হইবে। তখন সেই কেন্দ্রটি ভারতবর্ষের সত্যকার কেন্দ্র হইবে। নতুবা পরিধি যাহার প্রস্তুত হয় নাই সেই কেন্দ্রের প্রামাণিকতা কোথায়। যাহার মধ্যে দেশের কর্মের কোন উদ্যোগ নাই, কেবলমাত্র দুর্বল জাতির দাবি এবং দায়িত্বহীন পরামর্শ, সে সভা দেশের রাজকার্যসভার সহযোগী হইবার আশা করিবে কোন সত্যের এবং কোন শক্তির বলে।
প্রশ্নাবলী:
(ক) শহরের বুকে কারখানা স্থাপনের ফলে মানুষের জীবনে কী সমস্যা দেখা দিয়েছে? (মান: ১০)
(খ) দেশের জনসাধারণকে একই ঐকনীতিতে দীক্ষিত করার অন্যতম উপায় কী? (মান: ১০)
(গ) লেখকের মতে ভারতবর্ষের প্রদেশগুলি কীভাবে আত্মনির্ভরশীল হতে পারে? (মান: ১০)
(ঘ) ব্রিটিশ শাসন আমাদের গ্রাম সমাজের সহজ ব্যবস্থাকে কীভাবে নষ্ট করে দিয়েছে? (মান: ১০)
2022
অনুচ্ছেদটি পাঠ করে নিম্নলিখিত প্রশ্নগুলির উত্তর দিন : (পূর্ণমান: ৪০)
ধর্মের মাহাত্ম্য ও মূল কথা সম্যক উপলব্ধি করতে না পেরে, মানুষ যখন ধর্মের আচার-আচরণগত মোহে অন্ধ হয়ে পড়ে, তখন সে অন্যকে নিধন এবং নিজের আত্মহননে উদ্যত হয়। মানুষ যখন ধর্মের মহিমা অনেক সময় সম্যক উপলব্ধি করতে পারে না, কতগুলি আচরণসর্বস্ব সংস্কার ও প্রথাকে ধর্ম বলে ভ্রম করে এবং সংস্কারের মোহে অন্ধ হয়ে যায়। সংকীর্ণ ভেদবুদ্ধির শিকার হয়ে নিজেদের ভেতর এক দুর্লঙ্ঘ্য ভেদেদের প্রাচীর সৃষ্টি করে এবং অপরকে ঐ ধর্মের দোহাই দিয়েই আক্রমণ করে, হত্যা করে এবং চরম অমানবিক হিংস্র পাশবিকতার পরিচয় দেয়। বিশ্ববিধাতার আশীর্বাদপুষ্ট মানুষ বিধাতার মহিমা ভুলে গিয়ে জাতি, ধর্ম, বর্ণ, সম্প্রদায় প্রভৃতি ক্ষুদ্র সীমায় নিজেকে আবদ্ধ করে এবং ভুল ধারণার বশবর্তী হয়ে নির্মম নিষ্ঠুর মানসিকতার পরিচয় দেয়। প্রকৃত ধর্মচেতনা মানুষকে উদার, মহৎ ও সহনশীল করে তোলে, উচ্চ-নীচ, ধনী-দরিদ্র, শিক্ষিত-অশিক্ষিত সব কিছু ভেদাভেদ তার উদার মানসিকতার কাছে লুপ্ত হয়ে যায়। বিশ্বমানবতার মহান আদর্শ, ক্ষমা সুন্দরের দৃষ্টিভঙ্গি ও শুভবুদ্ধির সাধনাই তার কাছে আচরণীয় ও পালনীয় ধর্মরূপে প্রতীয়মান হয়।
প্রশ্নাবলী:
(ক) ধর্মের দোহাই দিয়ে মানুষ কীভাবে বিধাতার মহিমা ভুলে যায়? (মান: ১০)
(খ) ধর্মের নামে মানুষ মোহাবিষ্ট হয় কেমন করে? (মান: ১০)
(গ) মানুষ কখন এবং কীভাবে নিজেদের মধ্যে ভেদাভেদের প্রাচীর সৃষ্টি করে? (মান: ১০)
(ঘ) প্রকৃত ধর্মচেতনা বলতে কী বোঝায়? (মান: ১০)
2021
অনুচ্ছেদটি পাঠ করে তার ভিত্তিতে নিম্নলিখিত প্রশ্নগুলির উত্তর দিন : (পূর্ণমান: ৪০)
বেলা দশটার মধ্যেই স্টিমার খুলনা ছেড়ে রওনা হল। এখন চলেছি মানুষের ঘরকন্যার সাথী ছবির মতো ছোটো নদী দিয়ে। দুই পাড়ে ধানক্ষেত। ধান কাটা শেষ হয়েছে। বাদামি রঙের ফাঁকা মাঠ, গোরু চরছে। মাঝে মাঝে চৌকো সরষেক্ষেত। একটু পর-পরই লোকালয়; খোঁড়ার ঘর, ঢেউ তোলা টিনের ঘর— আম, নারকেল, কলাগাছে ঘেরা। দেখতে দেখতে ভিড়; পাড়ের ওপর ছাগলছানা লাফাচ্ছে। কোথাও নদীর ধারে হাটের জায়গা; ছোটো ছোটো টিনের চাল, গোটাচারেক টিনের বেড়ার ঘর। পাড়ের ওপর দিয়ে লোক চলাচলের পথ; নানা বয়সের লোক চলেছে— কারও মাথায় ছাতি, কারও কাঁধে মোট।
আমাদের সারেং রহমত আলির নৌকা চাপা দেবার ভয় অত্যন্ত বেশি। বোধহয় কোনোদিন ও কাজ করে বিপদে পড়েছিল। কিন্তু খোঁড়ার পা-ই থানায় পড়ে। বেলা যখন দুটো, আর স্টিমার এসেছে কালিয়া গ্রামের কাছাকাছি, তখন স্টিমারের বাঁদিকের ফ্ল্যাটের সঙ্গে একখানা বড়ো পাট- বোঝাই নৌকার একটা মৃদু-রকম ঠোকাঠুকি হল। ফলে নৌকাখানি হল কিঞ্চিৎ জখম, তবে বেশি কিছু নয়। এরকম ঘটনা ঘটলে সারেংকে নিকটবর্তী পুলিশ-থানায় রিপোর্ট করতে হয়। স্টিমারের লোকজনদের মধ্যে অনেক জেলার লোক ছিল—চাটগাঁ, নোয়াখালী, কুমিল্লা, ঢাকা, ময়মনসিংহ। দেখলুম সকলে একমত যে, এ অঞ্চলের লোক বড়ো সহজ নয়, তিলকে তাল করে তোলার মতো কল্পনার জোর নাকি এদের প্রচুর আছে। সারেঙের ইচ্ছা, তার রিপোর্টটা ইংরেজিতে লেখা হয়। স্টিমারে চলনসই ইংরেজি লেখকের অভাব, সুতরাং ঘটনার রিপোর্টটা লিখে দিতে হল। কালিয়া স্টেশনে স্টিমার থামিয়ে স্টেশনমাস্টারবাবুকে সেই রিপোর্ট দেওয়া হল থানায় পাঠিয়ে দেবার জন্য। তাঁর মুখে শুনলুম, এখানে ইতিমধ্যেই রটে গিয়েছে যে, স্টিমার একখানা পাঁচ-শ-মনি বোঝাই নৌকা চাপা দিয়ে একেবারে ডুবিয়ে দিয়েছে।
প্রশ্নাবলী:
(ক) ‘এখন চলেছি মানুষের ঘরকন্যার সাথী ছবির মতো ছোট নদী দিয়ে’— এই যাত্রাপথে লেখকের চোখে যে ছবি ধরা পড়েছিল তা আপনার নিজের ভাষায় লিখুন। (মান: ১০)
(খ) ‘এরকম ঘটনা ঘটলে সারেংকে নিকটবর্তী পুলিশ-থানায় রিপোর্ট পাঠাতে হয়।’— ‘এরকম ঘটনা’-টি কী? এই ঘটনার বর্ণনা দিন। (মান: ১০)
(গ) ‘ঘটনার রিপোর্টটা’ কাকে কেন লিখে দিতে হয়েছিল— লিখুন। (মান: ১০)
(ঘ) ‘খোঁড়ার পা-ই থানায় পড়ে’ এবং ‘তিলকে তাল করে তোলা’— এই বাক্যাংশ দুটির অর্থ এই অনুচ্ছেদের মধ্যে কীভাবে সত্য হয়ে উঠেছিল,— নিজের ভাষায় লিখুন। (মান: ১০)
2020
অনুচ্ছেদটি পাঠ করে তার ভিত্তিতে নিম্নলিখিত প্রশ্নগুলির উত্তর দিন : (পূর্ণমান: ৪০)
কোনও কোনও বৈজ্ঞানিক নামের একটা মোহিনী শক্তি আছে, লোকে সেই নাম শিখিলে স্থানে অস্থানে প্রয়োগ করে। ‘গাটাপার্চা’ এরকম একটি মোহরোচক শব্দ। ফাউন্টেন পেন, চিরুনি, চশমার ফ্রেম প্রভৃতি বহু বস্তুর উপাদানকে লোকে নির্বিচারে গাটাপার্চা বলে। গাটাপার্চা রবারের ন্যায় বৃক্ষবিশেষের নির্যাস। ইহাতে বৈদ্যুতিক তারের আবরণ হয়, জলরোধক বার্নিশ হয়, ডাক্তারি চিকিৎসায় ইহার পাত ব্যবহৃত হয়। কিন্তু সাধারণতঃ লোকে যাহাকে গাটাপার্চা বলে তাহা অন্য বস্তু। আজকাল যে সকল শম্ভুং কৃত্রিম পদার্থ প্রস্তুত হইতেছে তাহার কথা সংক্ষেপে বলিতেছি — নাইট্রিক অ্যাসিড, তুলো ইত্যাদি হইতে সেলুলয়েড হয়। ইহা কাচতুল্য স্বচ্ছ, কিন্তু অন্য উপাদান যোগে রঞ্জিত, চিত্রিত বা হাতির দাঁতের ন্যায় সাদা করা যায়। ফটোগ্রাফের ফিল্ম, মোটরের গাড়ির জানালা, হারমোনিয়মের চাবি, পুতুল, চিরুনি, বোতাম প্রভৃতি অনেক জিনিসের উপাদান সেলুলয়েড। অনেক চশমার ফ্রেমও এই পদার্থ। রবারের সহিত গন্ধক মিলাইয়া ইবনাইট বা ভলকানাইট প্রস্তুত হয়। বাংলায় ইহাকে ‘কাচকড়া’ বলা হয়। যদিও কাচকড়ার মূল অর্থ কাছিমের খোলা। ইবনাইট স্বচ্ছ নয়। ইহা হইতে ফাউন্টেন পেন, চিরুনি প্রভৃতি প্রস্তুত হয়। আরও নানা জাতীয় স্বচ্ছ বা অস্বচ্ছ পদার্থ বিভিন্ন নামে বাজারে চলিতেছে, যথা— সেলোফেন, ভিসকোস, গ্যালালিথ, ব্যাকেলাইট ইত্যাদি। এগুলির উপাদান ও প্রস্তুতপ্রণালী বিভিন্ন। নকল রেশম, নকল হাতির দাঁত, নানা রকম বার্নিশ, বোতাম, চিরুনি প্রভৃতি বহু সৌখিন জিনিস ওই সকল পদার্থ হইতে প্রস্তুত হয়।
প্রশ্নাবলী:
(ক) গাটাপার্চা কী? এর উপকারিতা কোথায় কোথায় দেখা যায়? (মান: ১০)
(খ) সেলুলয়েডের উৎস কী? আমাদের জানা কোন্ কোন্ জিনিস সেলুলয়েড দিয়ে তৈরি হয়? (মান: ১০)
(গ) ভলকানাইট কীভাবে তৈরি হয়? এটি কিরকম পদার্থ? এর বাংলা অর্থ পরিষ্কার করো। (মান: ১০)
(ঘ) বৈজ্ঞানিক নামের মোহিনী শক্তির অপপ্রয়োগে কী হয়? (মান: ১০)
2019
অনুচ্ছেদটি পাঠ করে তার ভিত্তিতে নিম্নলিখিত প্রশ্নগুলির উত্তর দিনঃ (পূর্ণমান: ৪০)
মরুভূমিতে ভীষণ ঝড় উঠলো, আমাদের হাঁটু পর্যন্ত বরফে ডুবে গেল। সে ঝড় আর থামবার নাম নেই, কুড়িদিন পর্যন্ত সমানভাবে চলে একদিন শেষরাত্রে আকাশ পরিষ্কার হল। পরদিন সকালটিতে অতি পরিষ্কার সুবিমল দেখে আমরা ভাবলাম আর ভাবনা নেই, বিপদ কেটেছে। দুপুরের পর সামান্য একটু হাওয়া উঠলো। দশ মিনিটের মধ্যে আবার এমন ঝড় শুরু হল যে গত কুড়িদিনেও সে রকম উদ্দাম ঝড় ও বরফপাত আমরা দেখিনি। উপরের দিকে চেয়ে দেখি আকাশ তখনও নীল, মেঘের লেশও কোথাও নেই, অথচ আমাদের তাঁবুতে তখন এমন অবস্থা যে পাঁচ হাত দূরের জিনিস দেখা যায় না, ঝড়ে চূর্ণ তুষার উড়িয়ে এনে চারিধার আচ্ছন্ন করে ফেলেছে।
প্রায় মাইলটেক দূরে আমাদের উটগুলো চরছিল। একজন লোক তখনি তাঁবু থেকে বেরিয়ে গিয়ে অতি কষ্টে সেগুলোকে তাঁবুতে নিয়ে এল, যদিও এধরনের বরফের ঝড়ের সময় ঘর ছেড়ে বাইরে বার হওয়া অত্যন্ত বিপজ্জনক, পথ হারিয়ে গেলে শীতে মৃত্যু নিশ্চিত। আসবার সময় সে লোকটা সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে আসতে পারলে না, হাতে পায়ে হামাগুড়ি দিয়ে অতি কষ্টে তাঁবুতে পৌঁছালো, ঝড়ের এমন বেগ যে তার সামনে দাঁড়ানো যায় না। যখন সে তাঁবুতে এল, তখন তার মুখে, বুকে গলায় বরফ কঠিন হয়ে জমে গিয়েছে। আমরা বরফের মধ্যে একটা গর্ত করে সেখানে উটগুলোকে রেখে দিলাম। দেখতে দেখতে ঝড় তাদের উপর হাত দুই পুরু বরফ চাপা দিলে, তবুও ভয়ানক শীতের হাত থেকে কথঞ্চিৎ পরিত্রাণ পেলে তারা। আমাদের তাঁবুর ডবল ক্যানভাসে ছাদ ফুটে বরফ এসে সূচের মত আমাদের নাকে মুখে বিঁধছিল আর সে কি ভয়ানক ঠাণ্ডা! সন্ধ্যার কিছু পরেই ঝড়টা যেমন এসেছিল, তেমনি হঠাৎই থেমে গেল। নির্মল আকাশে জোৎস্না উঠলো, চারিধারে কেমন একটা অদ্ভুত নিস্তব্ধতা। সাহস করে সে রাত্রে আমরা ঘুমাতে পারলাম না। সকালে উঠে দেখি যে তাঁবুতে বরফ জমে এমন অবস্থা হয়েছে যে সেটাকে গুটিয়ে নেবার উপায় নেই, অগত্যা সেই অবস্থাতেই সেটা উঠিয়ে উটের পিঠে চাপিয়ে রওনা হওয়া গেল।
প্রশ্নাবলী:
(ক) “আমরা ভাবলাম আর ভাবনা নেই, বিপদ কেটেছে!”—এই বিপদের বর্ণনা দিন। (মান: ১০)
(খ) লেখকের ভাবনার অবসান কি সত্যিই হল? উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দিন। (মান: ১০)
(গ) উটগুলো বিপদ থেকে কীভাবে রক্ষা পেল? (মান: ১০)
(ঘ) সন্ধ্যার পরে যা ঘটেছিল তা আপনার নিজের ভাষায় লিখুন। (মান: ১০)
2018
অনুচ্ছেদটি পাঠ করে তার ভিত্তিতে নিম্নলিখিত প্রশ্নগুলির উত্তর দিনঃ (পূর্ণমান: ৪০)
জন্তুর অবস্থাও যেমন, স্বভাবও তার অনুগত। তার বরাদ্দও যা, কামনাও তার পিছনে চলে বিনা বিদ্রোহে। তার যা পাওনা তার বেশি তার দাবি নেই। মানুষ বলে বসল, ‘আমি চাই উপরি-পাওনা।’ বাঁধা বরাদ্দের সীমা আছে, উপরি-পাওনার সীমা নেই। মানুষের জীবিকা চলে বাঁধা বরাদ্দে, উপরি-পাওনা দিয়ে প্রকাশ পায় তার মহিমা।
জীবনধর্মরক্ষার চেষ্টাতেও মানুষের নিরন্তর একটা দ্বন্দ্ব আছে। সে হচ্ছে প্রাণের সঙ্গে অপ্রাণের দ্বন্দ্ব। অপ্রাণ আদিম, অপ্রাণ বিরাট। তার কাছ থেকে রসদ সংগ্রহ করতে হয় প্রাণকে, মালমসলা নিয়ে গড়ে তুলতে হয় দেহযন্ত্র। সেই অপ্রাণ নিষ্ঠুর মহাজনের মতো, ধার দেয় কিন্তু কেবলই টানাটানি করে ফিরে নেবার জন্য, প্রাণকে দেউলে করে দিয়ে মিলিয়ে দিতে চায় পঞ্চভূতে।
এই প্রচেষ্টাটাতে মানুষের শুধু কেবল অপ্রাণের সঙ্গে প্রাণের দ্বন্দ্ব নয়, পরিমিতের সঙ্গে অপরিমিতের। বাঁচবার দিকেও তার উপরি-পাওনার দাবি। বড়ো করে বাঁচতে হবে, তার অম যেমন-তেমন নয়; তার বসন, তার বাসস্থান কেবল কাজ চালাবার জন্যে নয়— বড়োকে প্রকাশ করবার জন্যে। এমন-কিছুকে প্রকাশ, যাকে সে বলে ‘মানুষের প্রকাশ’, জীবনযাত্রাতেও যে প্রকাশে নূন্যতা ঘটলে মানুষ লজ্জিত হয়। সেই তার বাড়ৃতি ভাগের প্রকাশ নিয়ে মানুষের যেমন দুঃসাধ্য প্রয়াস এমন তার সাধারণ প্রয়োজন মেটাবার জন্যেও নয়। মানুষের মধ্যে যিনি বড়ো আছেন, আহারে বিহারেও পাছে তাঁর অসম্মান হয় মানুষের এই এক বিষম ভাবনা।
খাজু হয়ে চলতে গিয়ে প্রতি মুহূর্তেই মানুষকে মাধ্যাকর্ষণের বিরুদ্ধে মান বাঁচিয়ে চলতে হয়। পশুর মতো চলতে গেলে তা করতে হতো না। মনুষ্যত্ব বাঁচিয়ে চলাতেও তার নিয়ত চেষ্টা, পদে পদে নিচে পড়বার শঙ্কা। এই মনুষ্যত্ব বাঁচানোর দ্বন্দ্ব মানবধর্মের সঙ্গে পশুধর্মের দ্বন্দ্ব, অর্থাৎ আদর্শের সঙ্গে বাস্তবের।
প্রশ্নাবলী:
(ক) ‘জন্তুর অবস্থাও যেমন, স্বভাবও তার অনুগত’ বলতে লেখক কী বোঝাতে চেয়েছেন? (মান: ১০)
(খ) ‘প্রাণের সঙ্গে অপ্রাণের দ্বন্দ্ব’ বিষয়টি কী? (মান: ১০)
(গ) ‘মানুষের প্রকাশ’ বলতে লেখক কী বুঝিয়েছেন? (মান: ১০)
(ঘ) মনুষ্যত্ব বাঁচানোর দ্বন্দ্বকে ‘আদর্শের সঙ্গে বাস্তবের’ দ্বন্দ্ব হিসাবে দেখা হল কেন? (মান: ১০)
2017
অনুচ্ছেদটি পাঠ ক’রে তার ভিত্তিতে নিম্নলিখিত প্রশ্নগুলির উত্তর দিন : (পূর্ণমান: ৪০)
আমরা বাইরের শত্রু থেকে যে ধর্ম পাই, সে কখনই আমার ধর্ম হয়ে ওঠে না। তার সঙ্গে কেবলমাত্র একটা অভ্যাসের যোগ জমে। ধর্মকে নিজের মধ্যে উদ্ভূত করে তোলাই মানুষের চিরজীবনের সাধনা। চরম বেদনাকে তাকে জন্মদান করতে হয়, নাড়ীর শোণিত দিয়ে তাকে প্রাণদান করতে হয়, তারপর জীবনে সুখে ভাই আর না পাই— আনন্দে চরিতার্থ হয়ে মরতে পারি। যা মুখে বলছি, যা লোকের মুখে শুনে প্রবাহে আবৃত্তি করছি, তা যে আমার পক্ষে কতই মিথ্যা তা আমরা বুঝতেই পারিনে। এদিকে আমাদের জীবন ভিতরে ভিতরে নিজের সত্যের মন্দির প্রতিদিন একটি একটি ইট নিয়ে গড়ে তুলছে। জীবনের সমস্ত সুখ দুঃখকে যখন বিচ্ছিন্ন ক্ষণিকভাবে দেখি তখন আমাদের ভিতরকার এই অনন্ত সৃজনরহস্য ঠিক বুঝতে পারি নে— প্রত্যেকটা পদ বানান করে পড়তে হলে যেমন সমস্ত বাক্যটার অর্থ এবং ভাব সমগ্রভাবে বোঝা যায় না সেই রকম। কিন্তু নিজের ভিতরকার এই সৃজন ব্যাপারের অথবা ঐক্যসূত্র যখন একবার অনুভব করা যায় তখন এই সর্বজ্ঞান অনন্ত বিশ্বচরাচরের সঙ্গে নিজের যোগ উপলব্ধি করি। বুঝতে পারি, যেমন গ্রহ নক্ষত্র চন্দ্র সূর্য জ্বলতে ঘোরাতে ঘুরতে চিরকাল ধরে তৈরি হয়ে উঠছে আমার ভিতরেও তেমনি অনাদিকাল ধরে একটা সৃজন চলছে; আমার সুখ দুঃখ বাসনা বেদনা তার মধ্যে আপনার স্থানগ্রহণ করেছে। নিজের প্রবাহমান জীবনকে যখন নিজের বাইরে নিখিলের সঙ্গে যুক্ত করে দেখি তখন জীবনের সমস্ত দুঃখগুলিকেও একটা বৃহৎ আনন্দসূত্রের মধ্যে গ্রথিত দেখতে পাই। আমি আছি এবং আমার সঙ্গে সমস্তই আছে— আমাকে ছেড়ে কোথাও একটি অণু পরমাণুও থাকতে পারে না; এই সুন্দর শরৎ প্রভাতের সঙ্গে, এই জ্যোতির্ময় শূন্যের সঙ্গে, আমার অন্তরাত্মার ঘনিষ্ঠ আত্মীয়তার যোগ— অনন্ত জগৎপ্রাণের সঙ্গে আমার এই যে চিরকালের নিগূঢ় সম্বন্ধ সেই সম্বন্ধেরই প্রত্যক্ষ ভাষা এই সমস্ত বর্ণ-গন্ধ গীত।
প্রশ্নাবলী:
(১) ধর্ম সম্পর্কে লেখকের নিজস্ব ধারণা কী? (মান: ১০)
(২) কীভাবে বিশ্বচরাচরের সঙ্গে লেখক নিজের যোগ উপলব্ধি করেছেন? (মান: ১০)
(৩) বিরাট ব্যাপার বলতে লেখক কী বুঝিয়েছেন? (মান: ১০)
(৪) “এই সমস্ত বর্ণ-গন্ধ-গীত” বলতে লেখক কী বোঝাতে চেয়েছেন? (মান: ১০)
2016
নিম্নলিখিত অনুচ্ছেদটি পাঠ করে তা’থেকে গৃহীত প্রশ্নগুলির উত্তর নিজের ভাষায় লিখুন : (পূর্ণমান: ৪০)
কারো উঠোন চষে দেওয়া আমাদের ভাষায় চূড়ান্ত শাস্তি বলে গণ্য। কেননা উঠোনে মানুষ সেই বৃহৎ সম্পদকে আপন করেছে, যেটাকে বলে ফাঁক। বাহিরে এই ফাঁক দুর্লভ নয়, কিন্তু সেই বাইরের জিনিসকে ভিতরের করে আপনার করে না তুললে তাকে পেয়েও না পাওয়ার মতো হয়। উঠোনে ফাঁকটাকে মানুষ নিজের ঘরের জিনিস করে তোলে; এখানে সূর্যের আলো তার ঘরের আপনার আলো হয়ে দেখা দেয়, এখানে তার ঘরের ছেলে আকাশের চাঁদকে হাতছানি দিয়ে ডাকে। কাজেই উঠোনকেও যদি বেকার না রেখে তাকে ফসলের খেত বানিয়ে তোলা যায়, তা হলে যে বিশ্ব মানুষের আপন ঘরের বিশ্ব, তারই বাসা ভেঙে দেওয়া হয়।
সত্যকার ধনী ও দরিদ্রের মধ্যে প্রভেদ এই যে, ধনী এই ফাঁকটাকে বড়ো করে রাখতে পারে। যে-সমস্ত জিনিসপত্র দিয়ে ধনী আপনার ঘর বোঝাই করে তার দাম খুব বেশি, কিন্তু যে ফাঁকটা দিয়ে তার আঙিনা হয় প্রশস্ত, তার বাগান হয় বিস্তীর্ণ সেটাই হচ্ছে সব চেয়ে দামী। সদাগরের দোকানঘর জিনিসপত্রে ঠাসা, সেখানে ফাঁক রাখার শক্তি তার নেই। দোকানে সওদাগর কৃপণ, সেখানে লক্ষপতি হয়েও সে দরিদ্র। কিন্তু সেই সদাগরের বাসের বাড়িতে ঘরগুলো লম্বা চওড়ায় উঠোতে সকল দিকেই প্রয়োজনকে ধিক্কার করে ফাঁকটাকেই বেশি আদর দিয়েছে, আর বাগানের তো কথাই নেই। এইখানেই সদাগর ধনী।
শুধু কেবল জায়গার ফাঁকা নয়, সময়ের ফাঁকাও বহুমূল্য। ধনী তার অনেক টাকা দিয়ে এই অবকাশ কিনতে পায়। তার ঐশ্বর্যের প্রধান লক্ষণ এই যে, লম্বা লম্বা সময় সে ফেলে রাখতে পারে। হঠাৎ কেউ তার সময়ের উঠোন চষতে পারে না। আর একটা ফাঁকা, যেটা সব চেয়ে দামী, সে হচ্ছে মনের ফাঁকা। যা-কিছু নিয়ে মন চিন্তা করতে বাধ্য হয়, কিছুতেই ছাড় পায় না, তাকেই বলেই দুশ্চিন্তা। গরিবের চিন্তা, হতভাগার চিন্তা মনকে একবারে আঁকড়ে থাকে, অশ্বত্থগাছের শিকড়গুলো ভাঙা মন্দিরকে যেরকম আঁকড়ে ধরে। দুঃখ জিনিসটা আমাদের চেতনার ফাঁক বুজিয়ে দেয়। শরীরের সুস্থ অবস্থা তাকেই বলে যেটা হচ্ছে শরীরচেতনার ফাঁকা ময়দানা। কিন্তু হোক দেখি বাঁ পায়ের কড়ে আঙুলের গাঁটের প্রান্তে বাতের বেদনা, অমনি শরীরচেতনার ফাঁক বুজে যায়, সমস্ত চেতনা ব্যথায় ভরে ওঠে। মন যে ফাঁকা চায়, দুঃখে সেই ফাঁকা পায় না। স্থানের ফাঁকা না পেলে যেমন ভালো করে বাঁচা যায় না, তেমনি সময়ের ফাঁকা, চিন্তার ফাঁকা না পেলে মন বড়ো করে ভাবতে পারে না; সত্য তার কাছে ছোটো হয়ে যায়। সেই ছোটো সত্য মিটমিটে আলোর মতো ভয়কে প্রশ্রয় দেয়, দৃষ্টিকে প্রতারণা করে এবং মানুষের ব্যবহারের ক্ষেত্রকে সংকীর্ণ করে রাখে।
প্রশ্নাবলী:
১) উঠোন চষে দেওয়াকে শাস্তি বলে গণ্য করা হয়েছে কেন? (মান: ১০)
২) সত্যকার ধনী ও দরিদ্রের মধ্যে প্রভেদ কী? (মান: ১৫)
৩) মনের ফাঁকা বলতে কী বোঝানো হয়েছে? (মান: ১০)
৪) মন বড়ো করে ভাবতে না পারলে কী হয়? (মান: ৫)
2015
অনুচ্ছেদটি পাঠ করে তা থেকে গৃহীত প্রশ্নগুলির উত্তর নিজের ভাষায় লিখুন : (পূর্ণমান: ৪০)
আমি যে ভবিষ্যৎ বঙ্গদেশের কল্পনা করি, তাতে বর্তমানের মহানদীর এবং শুষ্ক খালের খাতে প্রচুর জলপ্রবাহের অশ্রান্ত কলধ্বনি শোনা যাচ্ছে। তাদের ব্যাকুল ক্ষীরধারা সমস্ত দেশ ফলে ফুলে অশ্রুত শ্রী ধারণ করেছে। আমি যে ভবিষ্যতের কল্পনা করি, তাতে বাংলার প্রত্যেক নদীতে এবং প্রত্যেক জনপদে তার নিজস্ব নদী অথবা খাল আছে, যাদের সাহায্যে উন্মুক্ত বর্ষার জল অবাধে সাগরের পথে প্রবাহিত হচ্ছে, বর্তমানের মত সে জল ম্যালেরিয়ার মশার সূতিকাগারের সৃষ্টি করছে না। আমি যে ভবিষ্যতের কল্পনা করি, তাতে প্রত্যেক গৃহস্থের বাড়ী গৃহশিল্পের আলপনায় সুন্দর এক একটি নিদর্শন হয়ে বিরাজ করছে। বর্তমানের মত গৃহ সৌন্দর্য্য পিপাসুর মনে নিত্য সে নতুন যন্ত্রণার কারণ হচ্ছে না! আমি যে ভবিষ্যতের কল্পনা করি, তাতে প্রত্যেক গ্রামের নিজস্ব বাগান, নিজস্ব খেলার মাঠ, নিজস্ব পাঠাগার, নিজস্ব ক্লাব বা ইন্সটিটিউট আছে। আর গ্রামবাসীরা সেই সব প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতায় নিত্য নতুন আনন্দের সন্ধান পাচ্ছে। আমি যে ভবিষ্যতের কল্পনা করি, তাতে প্রশস্ত সুগঠিত রাজপথ দেশের প্রত্যেকটি গ্রামের সঙ্গে প্রত্যেকটি গ্রামকে প্রত্যেকটি নগরের সঙ্গে প্রত্যেকটি নগরকে সংলগ্ন রেখেছে! আমি যে ভবিষ্যতের কল্পনা করি, তাতে বাংলার গৃহপালিত পশুপক্ষীর শ্রী এবং সৌন্দর্য্য বাংলার গৌরবের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে! আমি যে ভবিষ্যতের কল্পনা করি, তার মাখনপেষণীবৃহল, সুঠাম, বলিষ্ঠ দেহ বাঙালী বৈদেশিকের বিস্ময় উৎপাদন করছে। আমি যে ভবিষ্যতের কল্পনা করি, তাতে বাঙালী নারীর স্বাস্থ্য এবং সৌন্দর্য্য বিশ্ববাসীর প্রশংসার বস্তু হয়ে দাঁড়িয়েছে। আমি যে ভবিষ্যতের কল্পনা করি, তার বিদ্যানিকেতনগুলির স্থাপত্য-সৌন্দর্য্য, তাদের উদ্যানের শোভা, তাদের বেষ্টনীর মনোহরহিত মানুষের মনকে সৌন্দর্যের অপরূপ জগতের সন্ধান দিচ্ছে! আর সেই সব প্রতিষ্ঠানের আচার্য্য এবং ছাত্রদের পরস্পরের স্নেহ এবং প্রীতি নাগরিকদের আদর্শ হয়ে উঠেছে, তাদের সত্য-শ্রেয়ঃ-সুন্দরীর সাধনা বিশ্বের অনুকরণীয় গৌরবের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। আমি যে ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখেছি, তাতে হিন্দু তার ধর্মের অসংহিত সনাতন সত্যের সন্ধান পেয়েছে, মুসলমান তার ধর্মের অন্তর্নিহিত শাশ্বত সত্যের সন্ধান পেয়েছে, আর উভয়েই মর্মে মর্মে বুঝতে পেরেছে, যেখানে সুন্দর সেখানে দ্বেষ-হিংসা নাই, যেখানে শ্রেয়ঃ-সেখানে সংকীর্ণতা নাই, কার্পণ্য নাই, আলোকের পথে অন্তহীন একাগ্র অভিযানী সকলেরই ধর্ম হয়ে দাঁড়িয়েছে! আমি যে ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখি, তার সাহিত্য থেকে ফাঁকি, আড়ম্বর আর ভাবের দেনা চিত্ররবে বিদায় গ্রহণ করেছে! সত্য-শ্রেয়ঃ-সুন্দরের নিত্য অনুভূতিতে সে সাহিত্য নিত্য নতুন পথ রচনা করছে। সে সাহিত্যের দৃষ্টি সম্ভাবনাপূর্ণ অতীতের দিকে নয়, দৃষ্টি তার সম্ভাবনাপূর্ণ ভবিষ্যতের দিকে।
প্রশ্নাবলী:
১) ধর্ম-নিয়ে লেখকের ভাবনা কী? (মান: ১০)
২) সত্য-শ্রেয়ঃ-সুন্দরের সাধনা নিয়ে কোন স্বপ্ন লেখক গৌরবের বিষয় হবে বলে মনে করেন? (মান: ৮)
৩) আদর্শ গ্রাম বাংলার কল্পনার রূপটি লিখুন? (মান: ১২)
৪) বাঙালী নারী পুরুষের কোন চেহারা লেখকের পছন্দ? সাহিত্য নিয়ে তাঁর বক্তব্য কী? (মান: ১০)
2014
অনুচ্ছেদটির যে কোন একটির পাঠ করে তা থেকে গৃহীত প্রশ্নগুলির উত্তর নিজের ভাষায় লিখুন : (পূর্ণমান: ৪০)
(ক)
মানুষের আত্মবিশ্বাসই মানুষের উন্নতির একমাত্র পথ। সেই আত্মবিশ্বাসকে কাজে লাগিয়ে উদ্যম বা প্রচেষ্টার মাধ্যমে মানুষ নিজেকে উন্নতির পথে নিয়ে যেতে পারে। সততা, পরিশ্রম ও আত্মবিশ্বাসই মানুষকে লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে নিয়ে যায়। ঠিক এভাবেই, এভারেস্ট জয়ের পথে এগিয়ে গিয়েছিলেন তেনজিং নরগে ও এডমন্ড হিলারি মত মানুষ। এভারেস্ট জয়ের পথে প্রভূত বাধা, বিপদ, ঝড়ঝঞ্ঝা, তুষারঝড়, নিশ্চিত হাতছানির কোনটিই তাদের দমিয়ে রাখতে পারেনি। ঐকান্তিক পরিশ্রম, সততা ও আত্মবিশ্বাসের দ্বারাই তারা এভারেস্টের মতো শৃঙ্গ জয় করেছিল।
প্রশ্নাবলী:
১) কিভাবে মানুষ উন্নতির লক্ষ্যে পৌঁছতে পারে? (মান: ২০)
২) এভারেস্ট কারা জয় করেছিলেন এবং কিভাবে? (মান: ১০)
৩) কোন তিনটি শক্তি এক্ষেত্রে অমোঘ হয়ে উঠেছিল? (মান: ১০)
(খ)
যুদ্ধ শব্দটি আমাদের মনে মৃত্যু ও ধ্বংসের একটি দৃশ্য উপস্থিত করে। যুদ্ধ জাতিগুলির মধ্যে শত্রুতা সৃষ্টি করে। এটি সভ্যতাকে হাজার বছর পেছনের দিকে পরিচালিত করে। এখন সারা বিশ্বজুড়ে একটি ঠান্ডা লড়াই চলছে। যুদ্ধের বিপদ উপলব্ধি করে সমস্ত শান্তিপ্রিয় মানুষ গভীরভাবে শান্তির প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করেছেন। প্রথম ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ অপরিসীম মৃত্যু ও ধ্বংস নিয়ে এসেছিল। গত দশকে আমরা উপসাগরীয় যুদ্ধ এবং আমেরিকা আফগান যুদ্ধ দেখেছি। বিজ্ঞান মানুষকে ধ্বংসাত্মক অস্ত্রশস্ত্র দিয়েছে। একটি নতুন যুদ্ধ উল্লেখ করার মতো কিছুই অবশিষ্ট থাকে না। আধুনিক বিশ্বধ্বংসী অস্ত্র কুড়ি সেকেন্ডের মধ্যে বিশ্বকে ধ্বংস করতে পারে। এখন পরমাণু যুদ্ধের একটি আতঙ্ক বিশ্বের উপর ঝুলছে। বিশ্বে একটি অঘোষিত যুদ্ধ চলছে। UNO 1986 সালকে আন্তর্জাতিক বর্ষ হিসেবে ঘোষণা করেছিল। শান্তির স্বপক্ষে ঊর্ধ্বে তুলে ধরতে সমস্ত জাতির এগিয়ে আসা উচিত। ধ্বংস নয় প্রস্ফুটিত জীবনের স্বপ্নই আমাদের উদ্দেশ্য হওয়া উচিত। সমৃদ্ধশালী ও যুদ্ধ মুক্ত পৃথিবীর জন্যও শান্তি, ভ্রাতৃত্ব ও একাত্মতার স্বপক্ষে বাস্তবায়িত করতে সকলের ঐক্যবদ্ধ প্রয়াসই কাঙ্ক্ষিত।
যে কোন একটির
১) ‘যুদ্ধ’ শব্দটি আমাদের চোখের সামনে কি ছবি তুলে ধরে? (মান: ১৫)
২) যুদ্ধ কিভাবে দেশ, জাতি ও সভ্যতার ক্ষতি করে? (মান: ১০)
৩) প্রথম ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ফলে কি হয়েছিল? (মান: ১০)
৪) শান্তি কিভাবে আসা সম্ভব? (মান: ৫)
WBCS Mains Paper I Bengali Translation
2023
নিম্নলিখিত যে কোনো একটি বিষয়ের বাংলা অনুবাদ করুন : (পূর্ণমান: ৪০)
(ক)
I love children. On coming to Rastrapati Bhavan, I have met them sometimes through video conference and sometimes directly. After talking with them, I have formed an idea about their opinion and view points on different matters. We always bother about big issues, but quite often forget to pay attention to the smaller ones. On many occasions, their comments on these minor problems are such as to show how strong their power of comprehension. The problem lies with setting up of our precedence. Sitting in Delhi, it is felt perhaps nothing could be more serious an issue than this. But this big country has many states having different kinds of problems. When I talk to a farmer at a remote village and find how he tries to bring up his child with proper education, I feel amazed at the diversity of this vast country.
(খ)
So long we have tried to learn only one language in the main, English, besides the mother tongue. This has three-fold objects — earning our bread, intercourse with foreigners and acquisition of knowledge in various subjects. When Hindi will become the official language of the country, it will not be possible for us to earn our living with knowledge of English only. Hindi will be indispensable in government service and in profession like law. Conversation with the people of the other provinces of India also shall have to be carried on mainly in Hindi. But English must have to be learnt by those who would go in for higher education or like to keep in touch with all the countries of the world. No doubt, in future also many will be able to earn their living without learning Hindi; just as many do it now by agriculture, industry, trade and physical labour without learning English.
2022
নিম্নলিখিত অংশটি বঙ্গানুবাদ করুন : (পূর্ণমান: ৪০)
It is very interesting to study the coming of the Aryans to India. You can find out a lot about them from our Sanskrit books. Some of these like the Vedas, must have been written about the time. The oldest Veda is the Rig Veda and you can form some idea from it of the past of India which the Aryans occupied then.
2021
নিম্নলিখিত অনুচ্ছেদটি বাংলায় অনুবাদ করুন : (পূর্ণমান: ৪০)
Three days after the incident Col. – Gracy returned and gave the following account of the tragic disaster. “It was Sunday night. We were getting ready to go to sleep in our own cabins when the ship received a shock and I was thrown off the bed. I heard the cries of agony of the passengers of the ship. I looked at my wristwatch—it was just ten. In the midst of wailing on all sides I came to know that the ship had struck against an iceberg and had been seriously damaged. Death was inevitable.”
2020
নিম্নলিখিত অংশটির বঙ্গানুবাদ করুন : (পূর্ণমান: ৪০)
That afternoon almost the whole of Kamarpukur comes for the Kirtan. Through Dhani, the word was spread that Ramkrishna would go back to Dakshineswar, so no one wanted to miss this opportunity. As the courtyard is too small to hold the crowd, they shift to a nearby field. Several of the men have Khols, two or three have violin, and a few others have flutes. The men sit on the ground in a group with Ramkrishna and the ladies sit on one side.
2019
নিম্নলিখিত অনুচ্ছেদটি বঙ্গানুবাদ করুন : (পূর্ণমান: ৪০)
Our total environment influences our life and our way of living. The main elements of our environment are men, animals, plants, soil, air and water. There are relationships among these elements. When their relationships are disturbed, life becomes difficult and impossible. By keeping the environment safe man can ensure a healthier and happier life.
2018
নিম্নলিখিত অনুচ্ছেদটি বঙ্গানুবাদ করুন : (পূর্ণমান: ৪০)
One day Sir Isaac Newton went out of his room leaving on the table a heap of papers containing his long research on the theory of light. There was on the floor of the room lying his pet dog, Diamond. No sooner had he gone then the dog jumped upon the table and upturned the lighted candle and the papers immediately caught fire. Returning after a few minutes Newton found that all his hard labour of twenty years had been reduced to ashes. But the great scientist patted the dog on the head exclaiming, “Oh; Diamond, you don’t know what you have done!”
2017
নিম্নলিখিত অনুচ্ছেদটি বঙ্গানুবাদ করুন : (পূর্ণমান: ৪০)
Two persons once boarded the same compartment of a train. One was an Englishman and the other was Bengalee gentleman. The Englishman was an army officer, tall and strong by built. He appeared to be proud of himself as he was an Englishman. The Bengalee gentleman headed him not and was soon asleep. Soon after the Englishman picked up the gentleman’s shoes and threw them out. Then he too fell asleep. The Bengalee gentleman woke up, looked about for his shoes. He understood it all. He then took the Englishman’s long coat and threw it out. Next morning the Englishman shouted, “where is my coat?” “Your coat has just gone to fetch my shoes”, bravely replied the gentleman. The gentleman was Sir Ashutosh Mukherjee, “The Tiger of Bengal.”
2016
নিম্নেউক্ত অনুচ্ছেদটির বঙ্গানুবাদ করুন : (পূর্ণমান: ৪০)
The wheels of fate will some day compel the English to give up their Indian Empire. But what kind of India will they leave behind, what stark misery? When the stream of their two centuries’ administration runs dry at last, what a waste of mud and filth they will leave behind them! I had at one time believed that the springs of civilization would issue out of the heart of Europe. But today when I am about to quit the world that faith has gone bankrupt altogether. Today I live in the hope that the Saviour is coming – that he will be born in our midst in this poverty-shamed hovel which is India. I shall wait to hear the divine message of civilization which he will bring with him, the supreme word of promise that he will speak unto man from this very eastern horizon to give faith and strength to all who hear. As I look around I see the crumbling ruins of a proud civilization strewn like a vast heap of futility. And yet I shall not commit the grievous sin of losing faith in Man.
2015
নিম্নোক্ত অনুচ্ছেদটির বঙ্গানুবাদ করুন : (পূর্ণমান: ৪০)
We in India do not have to go abroad in search of the past and the distant. We have them here in abundance. If we go to foreign countries it is in search of the present. That search is necessary, for isolation from it means backwardness and decay. The old barriers are breaking down and life becomes more international. We have to play our part in this coming internationalism and, for this purpose, to travel, meet others, learn from them and understand them. But a real internationalism is not something in the air without roots or anchorage. It has to grow out of national cultures and can only flourish to-day on a basis of freedom and equality and true internationalism. We are citizens of no mean country and we are proud of the land of our birth, of our people, our culture and traditions. That pride should not be for a romanticised past to which we want to cling; nor should it encourage exclusiveness or a want of appreciation of other ways than ours. It must never allow us to forget our many weaknesses and failings or blunt our longing to be rid of them. We have a long way to go and much lee-way to make up before we can take our proper station with others in the van of human civilization and progress. And we have to hurry, for the time at our disposal is limited and the pace of the world grows ever swifter.
2014
নিম্নোক্ত দুটি অনুচ্ছেদের যে কোন একটির বঙ্গানুবাদ করুন : (পূর্ণমান: ৪০)
(ক)
Man is curious by nature. He wants to know the unknown and to see the unseen. Books and pictures cannot fulfil his desire of knowledge. We read of mountains, seas and forests in our books but not idea of these objects of nature cannot be completed unless and until we see them ourselves. It is the spirit of adventure which has enabled us to solve many mysteries of the universe. Travelling makes most of the adventures fruitful. It increases and supplements our knowledge. The theoretical knowledge derived from books it rendered practical and real by travelling. Travelling is refreshing too.
(খ)
Believe in God and behave according to His teaching, work according to His words – this can be called religion. Politics is based on ism. Religion can never be many but politics or ism can be many. So politics and religion are different from each other. Religion never divides people into many parts. Hinduism, Islamism, Jainism are not religion but these are only way to reach God. One can reach Delhi by plane, bus, train etc. Hinduism, Islamism, Jainism are just like the same. The destination of all is the same.
Leave a Comment